খাদি কাপড় কি ?

কাপড়ের অমসৃণতাকে মহাত্মা গান্ধী খাদি বলে অভিহিত করেন। কাপড়টি তুলা থেকে তৈরি করা হয়, তবে এতে রেশম বা পশমও থাকতে পারে, যেগুলো সবই চরকায় সুতোয় কাটা হয়। এটি একটি বহুমুখী বুনন যা গ্রীষ্মে শীতল ও শীতকালে উষ্ণ থাকে। ।

খাদির দ্রুত চাহিদার কারণে দ্রুত তাঁত চালানোর জন্য পায়ে চালিত প্যাডেলের নীচে মাটিতে গর্ত করা হতো। এই গর্ত বা খাদ থেকে যে কাপড় উৎপন্ন হতো সেই কাপড় খাদি। এভাবে খাদি নামের উৎপত্তি। ক্রমান্বয়ে এই কাপড় খাদি বা খদ্দর নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে

খাদির মূল বৈশিষ্ট্য:

  • হস্তনির্মিত: খাদির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এটি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি। চরকায় সুতা কাটা থেকে শুরু করে তাঁতে বোনা পর্যন্ত সব কাজই হাতে করা হয়। বর্তমানে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে হস্ত চালিত তাঁত  মেশিনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। যা পাওয়ার লুম মেশিন নামে অভিহিত করা হয়। এই মেশিন তাঁত শ্রমিকদের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমকে সস্তি দায়ক করেছে।
  • প্রাকৃতিক তন্তু: খাদি মূলত তুলা দিয়ে তৈরি হলেও রেশম, পশম ইত্যাদি প্রাকৃতিক তন্তুও ব্যবহার করা হয়।
  • শ্বাসপ্রশ্বাসযোগ্য: খাদি কাপড় শ্বাসপ্রশ্বাসযোগ্য হওয়ায় গ্রীষ্মে শীতল এবং শীতকালে উষ্ণ রাখে।
  • টেকসই: খাদি কাপড় টেকসই হয়ে থাকে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।
  • অনন্য টেক্সচার: হাতে বোনার কারণে খাদি কাপড়ের একটি অনন্য টেক্সচার থাকে।

কুমিল্লার অরজিনাল খাদি কাপড়ের পাঞ্জাবি নিতে ভিজিট করুন –  অরজিনাল খাদি 

খাদি পাঞ্জাবীর আরো  কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য:

  • প্রাকৃতিক ও আরামদায়ক: খাদি কাপড় হওয়ায় এই পাঞ্জাবী খুবই আরামদায়ক এবং গরমের দিনে শরীরকে ঠান্ডা রাখে।
  • টেকসই: খাদি কাপড় খুবই টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী।
  • ঐতিহ্যবাহী: খাদি কাপড়ের সাথে বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস জড়িত। তাই খাদি পাঞ্জাবী পরলে আপনি নিজেকে ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত বোধ করবেন।
  • ফ্যাশনেবল: আজকাল খাদি পাঞ্জাবীতে নানান নকশা এবং ডিজাইন করা হচ্ছে যা আপনাকে আরও স্টাইলিশ দেখাবে।

পরিবেশবান্ধব: খাদি কাপড় তৈরিতে কম রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহৃত হয়, তাই এটি পরিবেশের জন্য উপকারী।

কুমিল্লার অরজিনাল খাদি কাপড়ের পাঞ্জাবি নিতে ভিজিট করুন –  অরজিনাল খাদি